Friday, October 7, 2011

জবিতে আসন প্রতি ৪৮ জন ভর্তিচ্ছু

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষায় প্রতি আসনের বিপরীতে প্রায় ৪৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নিবে।

প্রাথমিকভাবে আবেদন করা শিক্ষাথীর সংখ্যা থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সুত্র জানায়, এ বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্ধিত ১২০ আসনসহ মোট ২হাজার ৭৫৫ আসনের বিপরীতে ১ লাখ ৩২ হাজার ১শ ৪৭ টি আবেদন জমা পড়েছে। আসন প্রতি আবেদনকারীর গড় সংখ্যা ৪৭.৯৬ জন। ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে আবেদনের জন্য গত ২২ আগস্ট থেকে মুঠোফোনে এসএমএস ২৫ সেপ্টেম্বর রাত ১২ টা পর্যন্ত সময় বেধে দেওয়া হয়।

এতে বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত এ ইউনিটে ৮১০ আসনের বিপরীতে ২৮ হাজার ৩শ ৭৬টি, কলা অনুষদভুক্ত বি ইউনিটে ৭১০ আসনের বিপরীতে ৩৩ হাজার ৩শ ৫৫টি, বাণিজ্য অনুষদভুক্ত সি ইউনিটে ৬৮০ আসনের বিপরীতে ৩৬ হাজার৬ শ২টি এবং বিভাগ পরিবর্তন ইউনিট ডি তে ৫৫৫ আসনের বিপরীতে ৩৩ হাজার ৮ শ১৪ জন ভর্তিচ্ছু আবেদন করেছেন।

গড় হিসেবে আসন প্রতি সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছে ‘ডি’ ইউনিটে। এই ইউনিটে আসন প্রতি গড় আবেদন পড়েছে ৬০.৯২, এছাড়া ‘সি’ ইউনিটে গড় আবেদন ৫৩.৮২, ‘বি’ ইউনিটে গড় আবেদন ৪৬.৯৭, ‘এ’ ইউনিটে গড় আবেদন ৩৫.০৩।

‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ১৪ অক্টোবর, ‘বি’ ইউনিটের ২১ অক্টোবর, ‘সি’ ইউনিটের ২৮ অক্টোবর এবং ‘ডি’ ইউনিটের ১৮ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

জবিতে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আসনপ্রতি বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর আবেদনের জন্য সন্তোষ প্রকাশ করে জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড.মেসবাহউদ্দিন আহমেদ বাংলানিউজকে বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে আসনপ্রতি ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের গড় আবেদনের সংখ্যা সর্বোচ্চ। এখন  আমর্ াসুষ্ঠভাবে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের  জন্য কাজ করছি।

Thursday, October 6, 2011

 এক ম্যাচেই ২৬ গোল

যেন বৃষ্টির মতো গোল। শুধু গোল আর গোল। ওয়ালটন মহিলা ফুটবল লিগে চলছে গোল-উৎসব। আগের দিন মোহামেডানের মেয়েরা ফরাশগঞ্জকে ভাসিয়েছে ১২-০ গোলে। কাল গোলসংখ্যা তার চেয়ে দ্বিগুণ! আরামবাগকে ২৬-০ গোলে বিধ্বস্ত করে ছেড়েছে শিরোপার অন্যতম দাবিদার শেখ জামাল ধানমন্ডি।
এই গোল-উৎসবের মধ্যমণি ছিলেন জাতীয় দলের স্ট্রাইকার সাবিনা খাতুন। তাঁর গোল ১২টি। সাবিনা ম্যাচের পর বলছিলেন, ‘এত গোল করব ভাবিনি। মাঠে নেমে দেখলাম, গোল করতে পারছি সহজে। তাই যতটা পেরেছি গোল করে নিয়েছি।’ ৭টি করেছেন নুবাই চিং মারমা। ৪ গোল অম্রা চিংয়ের, সুরাইয়া ও তাহমিনার একটি করে। অন্যটি আত্মঘাতী।
দিনের অন্য ম্যাচে দিপালী সংঘ ৩-০ গোলে হারিয়েছে ওয়ারী ক্লাবকে। গোল করেছেন সোনিয়া, জান্নাতুল ও ফাতেমা-তুজ-জোহরা।

সাহিত্যে নোবেল

সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার এ বছর কে পাবেন তা নিয়ে বছরজুড়েই জল্পনা-কল্পনা চলছে। বিভিন্নজন বিভিন্ন সাহিত্যিকের কথা বললেও বিশ্লেষকরা কিন্তু দু'জন কবিকেই এগিয়ে রাখছেন। এরা হলেন, সিরীয় কবি আলি আহমাদ সাইদ আসবার, যিনি অ্যাডোনিস নামেই বেশি পরিচিত এবং অপরজন হলেন সুইডিস টমাস ট্রান্সট্রোমার।

ব্রিটিশ বাজিকর ল্যাডব্রোক জানিয়েছে, অ্যাডোনিস (৮১ ) এর নোবেল পাওয়ার সম্ভাবনা ৪:১ এবং টমাস (৮০ ) এর সম্ভাবনা ৭:১। আর তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন জাপানের হারুকি মুরাকামি। যার সম্ভাবনা ৮:১।

৬ অক্টোবর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হবে বলে কথা রয়েছে।

মিশিগান ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপন খালেদ মাত্তাবা জানান, অ্যাডোনিস এ পুরস্কারটি পাওয়ার যোগ্য। মিশিগানের এ অধ্যাপক তার অনেক কবিতা ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন।

মাত্তাবা বলেন, "আমি যখন অ্যাডোনিসকে একজন কবি হিসেবে চিন্তা করি তখন পিকাসো বা মাতিস এর মতো লোকদের মনে পড়ে যারা অভিজ্ঞতা বর্ণনার নতুন একটি পদ্ধতি উন্মোচন করেছেন।"

তিনি আরো বলেন, "আমার মনে হয় এরমধ্যে (অ্যাডোনিসের কবিতায়) সবাই শুধু আরব সাহিত্যের বিষয়বস্তুই নয় সমাজকেও বুঝতে পারবে। সেইসঙ্গে আধুনিক আরব সাহিত্যের শৌর্য সম্বন্ধেও একটি ধারণা পাওয়া যাবে।"

চলতি বছরের মে মাসে অ্যাডোনিসকে জার্মানির গ্যেটে পুরস্কার দেওয়া হয়।

ওদিকে ট্রান্সট্রোমার এরআগেও নোবেল পুরস্কারের তালিকায় ছিলেন। সুইডিশ এ কবির কবিতায় মানুষ ও প্রকৃতি এবং চেতন ও অচেতনের মধ্যে সম্পর্কই বেশি প্রভাব বিস্তার করেছে।

১৯৯৬ সালে শেষবার সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার কোনো কবিকে দেওয়া হয়েছিল। ওই বছর পোল্যান্ডের কবি ভিসলাভা সিমবোরস্কাকে সাহিত্যের সবচেয়ে সম্মানজনক এই পুরস্কারটি দেওয়া হয়।

স্টিভ জবস আর নেই

stive1.jpgহ্যালো-টুডে ডটকম : বিশ্বখ্যাত কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস আর নেই। বৃহস্পতিবার অ্যাপলের ওয়েবসাইটে তার মৃত্যুর খবর জানানো হয়।৫৬ বছর বয়সী এই প্রযুক্তিবিদ ও উদ্যোক্তা অগ্ন্যাশয় ক্যান্সারে ভুগছিলেন।
ম্যাক, আইফোন ও আইপডের মতো বিভিন্ন প্রযুক্তিগত বিস্ময়ের উদ্ভাবক প্রতিষ্ঠানটির সাবেক প্রধান নির্বাহী ছিলেন।
আধুনিক যুগের যে কজন মানুষের নাম ইন্টারনেটের প্রতি ক্লীকে শোনা যায় তার মধ্যে স্টীভ জবস, মার্ক জুকেনবার্গ, বিল গেটস, মাইকেল ডেল।এদের নাম না জানলেই যেন নয়। বর্তমানের এবং সসবময়ের সেরা পণ্য ছিলো আ্যপল। আ্যপল ব্যান্ডের সেই বাঁকা আপেলটা যেন মনে করিয়ে দিতো, নিউটনের মধ্যাকর্ষন আবিষ্কার! তেমনি আ্যাপেলের আবিষ্কারক স্টীভ জবসও প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছুঁয়ে দিয়েছিলেন জাদুদ্বার!
৯৮৫ সালে স্টিভ জবসের সঙ্গে অ্যাপল সিইও জন স্কাসেই মহান গুনী ব্যাক্তিটি আর নেই।আজ মাত্র ছাপ্পান্ন বছর বয়সে স্ত্রী লরেলে এবং দুই সন্তানকে রেখে পৃথিবী থেকে বিদায় নেন এই মহান জনক।স্টিভেন পল জবস ১৯৫৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। স্টিভ জবস, স্টিভ ওজনিয়াক এবং রোনাল্ড ওয়েন মিলে ১৯৭০ সালে অ্যাপল কম্পিউটার প্রতিষ্ঠা করেন। এরপর তিনি পিক্সার স্টুডিও এবং নেক্সট নামে আরো দুটি সফল প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।
১৯৮৬ সালে স্টিভ নেক্সট নামে নতুন একটি কোম্পানিজবস জন্মেছিলেন স্যান ফ্রান্সিস্কোতে। কিন্তু সুখকর ছিলো না তার ছোটোবেলা। জন্মের পরপরই তাকে দত্তক দিয়ে দেয়া হয়। পল ও ক্লারা জবস দম্পত্তি তাকে দত্তক নেন। তার নাম রাখা হয় স্টিভেন পল জবস। সামান্য ভালো খাবারের জন্য তাকে পুরো সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হতো। কিন্তু তার প্রকৃত পিতা মাতা ছিলেন জোয়ন ক্যারোল এবং আব্দুল্লাহ ফাতাহ জান্দালি (সিরিয়া থেকে স্নাতোকোত্তর, পরবর্তীতে রাষ্ট্র বিজ্ঞানের অধ্যাপক হয়েছিলেন)।
১৯৯৭ সালে অ্যাডভাইজার হিসেবে অ্যাপলে ফিরলেনজবস কুপারটিনো জুনিয়র হাই স্কুলে এবং হোমস্টিড হাই স্কুলে গিয়েছিলেন। তিনি প্রায়ই হিউলেট-প্যাকার্ড কোম্পানিতে লেকচারগুলোতে অংশগ্রহণ করতেন। যেখানে পরবর্তীতে তিনি গ্রীষ্মকালীন কর্মচারী হিসাবে স্টিভ ওজনিয়াকের সঙ্গে কাজ করেন। ১৯৭২ সালে তিনি হাইস্কুল শেষ করেন এবং রিড কলেজে ভর্তি হন। যদিও তিনি পরবর্তীতে কলেজ ছেড়ে দেন তার পরেও তিনি ক্যালিওগ্রাফী সহ আরো কিছু ক্লাশে যোগদান করেছিলেন। এরপরই ১৯৭৬ সালে ওজনিয়াকের সঙ্গে ১৯৯৮ সালে স্টিভ জবসের হাত ধরে এলো আই ম্যাকবাড়ির গ্যারেজে প্রতিষ্ঠা করেন ছোট্ট প্রতিষ্ঠান অ্যাপল। আর তাদের অ্যাপল ১ দিয়েই শুরু হয় যাত্রা। এরপর একে একে স্টিভ জবসের হাত ধরে এসেছে আধুনিক প্রযুক্তির অনেক পণ্যই।
তার এই মহারথের সমাপ্তি ঘোষনা হলো আজ।

Wednesday, October 5, 2011

সংশোধন হচ্ছে কুমিল্লা ও নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি কুমিল্লা এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় আইনও সংশোধন করতে যাচ্ছে সরকার। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অর্থায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তার অবসান ঘটানোর জন্যই এই সংশোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী সকালেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের একটি ধারা সংশোধনের ঘোষণা দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংশোধন করা হবে। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পরিচালনায় সরকার যেভাবে অর্থ দেয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ও সেভাবে অর্থ পাবে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইনের ২৭ (৪) ধারায় বলা হয়েছে, পাঁচ বছর বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যয়ভার তাদের নিজেদেরই বহন করতে হবে। শিক্ষার্থীরা আইনের এ ধারাটি পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে আসছিল কয়েক বছর ধরে। অভ্যন্তরীণ ব্যয় বাড়ানোর অংশ হিসেবে সম্প্রতি সেমিস্টার ফি ৩ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করা হলে গত ২৫ সেপ্টেম্বর বিক্ষোভে ফেটে পড়ে শিক্ষার্থীরা।
জগন্নাথের মতো কুমিল্লা ও নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়েও অভ্যন্তরীণ আয়ে চলার কথা রয়েছে, যা নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে শিক্ষার্থীদের।