মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষককে লাঞ্ছিত ও ফুড টেকনোলজি বিভাগের এক কর্মচারীকে মারধর করার প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকাল থেকে সকল শিক্ষক কর্মকর্তা কর্মচারী কর্মবিরতি শুরু করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মুহম্মদ উমর ফারুক জানান, ফুড টেকনোলজি বিভাগের ক্রেডিট ফি কমানোর কোন সুযোগ নেই। তারা অফিস কক্ষ ভাংচুর করেছে। শৃংখলা ভঙ্গের অভিযোগে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে ৭দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের শাস্তিমুলক ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে বলে ও জানান তিনি। জানা যায়, সোমবার ক্রেডিট ফি বৈষম্য দূরীকরণসহ চার দফা দাবী নিয়ে বিশ্ব বিদ্যালয়ের ফুড টেকনোলজি এন্ড নিউট্রিশনাল সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থীরা উক্ত বিভাগের চেয়ারম্যান এর সাথে কাছে যায় এবং চেয়ারম্যান ক্রেডিট ফি কমানো সম্ভব নয় বলে জানিয়ে দেন। পরে শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে অফিস কক্ষ ভাংচুর করে।এতে বাধা দিলে শিক্ষার্থীরা এক কর্মচারীকে লাঞ্ছিত করে এবং বিভাগীয় চেয়ারম্যান রোকেয়া বেগমকে তিন ঘন্টা অফিস কক্ষে আটকে করে রাখে।
Tuesday, September 13, 2011
মালয়েশিয়ায় উচ্চশিক্ষা
হাথির মোহাম্মদের মালয়েশিয়া। পেট্রোনাস টুইন টাওয়ারের মালয়েশিয়া। শুধু এশিয়ারই নয় বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধশালী দেশ। শিল্পোন্নত মালয়েশিয়া ইলেকট্রনিক্স পণ্য, গাড়ি ও অন্যান্য শিল্পে বিশ্ববাজারে স্থান নিয়েছে। দেশের উন্নতির সাথে সাথে মালয়েশিয়ায় উন্নতি এসেছে শিক্ষা ব্যবস্থায়ও। ফলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে শিক্ষার্থীরা মালয়েশিয়াতে পড়তে আসছে। মালয়েশিয়ার ডিগ্রি আন্তর্জাতিক স্বীকৃত। বাংলাদেশের অনেক শিক্ষার্থীই এখন উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্র হিসেবে মালয়েশিয়াকে বেছে নিচ্ছে। কারণ এখানে পড়শোনা করে সহজেই যে কোন দেশে ক্রেডিট ট্রান্সফার করা যায়।শিক্ষা ব্যবস্থা :
মালয়েশিয়ার শিক্ষা ব্যবস্থায় উচ্চশিক্ষায় রয়েছে ব্যাচেলর ও মাস্টার্স। এখানে আছে ১৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, ২১টি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় এবং ৬৭টি ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস। এছাড়া রয়েছে ৭০৬টি প্রাইভেট ইনস্টিটিউট। এখানে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড ও ডিপ্লোমা কোর্সও। ব্যাচেলর কোর্সগুলো সাধারণত ৮ থেকে ১২ সেমিস্টার। ইন্টিগ্রেটড ও ডিপ্লোমা কোর্সগুলো সাধারণত ৬ সেমিস্টারে হয়ে থাকে।
মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রীয় ভাষা মালয়। উচ্চ শিক্ষায় মালয় ভাষা ছাড়াও ইংরেজি ভাষায় পড়া যায়। তবে সর্বত্রই মালয়েরই প্রাধান্য রয়েছে। শুধু ইংরেজি বিষয়ে পড়তে ইংরেজি প্রয়োজন না এছাড়াও কিছু কিছু বিষয়ে রয়েছে ইংরেজি। ইংরেজির ক্ষেত্রে TOEFL এবং IELTS এ একটা স্কোর থাকতে হয়। মালয় ভাষায় পড়ার জন্য অন্যান্য দেশ থেকে আসা শিক্ষার্থীদের মালয় ভাষা শিক্ষা কোর্সে ভর্তি হতে হয়।
মালয়েশিয়ায় বিজ্ঞান ধারা শিক্ষা ব্যবস্থায় পড়াশোনার খ্যাতি বিশ্বজোড়া। যেমন আইটি এবং ইঞ্জিনিয়ারিং এ দু’টি বিষয়ের মালয়েশিয়ার ডিগ্রি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে পড়ার বিষয়গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিকেল, ম্যানুফ্যাকচারিং ইঞ্জিনিয়ারিং, ট্যুরিজাম, টেলি কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, বিবিএ, এমবিএ, আইটি, সায়েন্স, ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, এরোনোটিক্যাল, আর্কিটেকচার ইত্যাদি।
পড়াশোনা ও থাকা- খাওয়ার খরচ :
মালয়েশিয়ায় পড়াশোনার খরচ অপেক্ষাকৃত কম। এখানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে টিউশন ফি অন্যান্য উন্নত দেশের তুলনায় অনেক কম। থাকা খাওয়াতেও খুব বেশি খরচ হয় না। এখানে পড়াশোনা ও থাকা খাওয়ার খরচ বাবদ বছরে প্রায় দেড় লক্ষ টাকার প্রয়োজন। অবশ্য খরচ এর চেয়ে কম বেশি হতে পারে। ব্যক্তির চাহিদা ও স্থান ভেদে পার্থক্য হয়।
মালয়েশিয়ায় পড়াশোনার পাশাপাশি রয়েছে কাজ করার সুযোগও সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা করে কাজের সুযোগ পাওয়া যায়। কাজের জন্য সরকার এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনুমতির প্রয়োজন হয়। বাইরে পার্টটাইম জবের পাশাপাশি সুযোগ রয়েছে টিউশনিরও। এখানে স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়ানোর সুযোগ আছে।
আবেদন ভর্তিও ভিসা প্রসেসিং:
মালয়েশিয়ার যেসব প্রতিষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় কর্তৃক বিদেশী শিক্ষার্থীদের পড়ার অনুমোদন রয়েছে তার যে কোন একটি প্রতিষ্ঠান বাছাই করুন। এ ক্ষেত্রে নিশ্চিত হতে মালয়েশিয়ার দূতাবাসের সাহায্য নেয়া যেতে পারে। এরপর যে প্রতিষ্ঠানে আপনার কাক্সিক্ষত বিষয়ে ভর্তির জন্য চিঠি, ফ্যাক্স বা ইমেইল করুন। তারা আপনাকে প্রয়োজনীয় তথ্য জানিয়ে দিবে। যে প্রতিষ্ঠান আপনাকে যোগ্য মনে করবে তারা আবেদন পত্র পাঠাবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অফার লেটার আপনার যোগ্যতার প্রমাণ পত্র, প্রয়োজনীয় সনদ, কাগজ পত্র, আর্থিক স্বচ্ছতার প্রমাণ ইত্যাদি দেখিয়ে বাংলাদেশস্থ মালয়েশিয়ার দূতাবাস থেকে ভিসা নিতে হবে। ভিসা ফি সাধারণ প্রায় পনের হাজার টাকা।
* University of Malaysia
Email- cco@um.edu.my
Web-www.um.edu.my
* International Islamic University of Malaysia
Email: Pro@iiu.edu.my
web- www.iiu.edu.my
* University of Technology Malaysia
Email: Pendaftar@ulm.my
Web- www.iiu.edu.my
* University of Teehnology Malaysia
email: Pendaftar@Utm.my
web- www.utm.my
সূত্রঃ হ্যালো-টুডে ডটকম
মাধ্যমিক স্কুল পেলো ১৩৭৭ শিক্ষক
সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১ হাজার ৩৭৭ জন সহকারী শিক্ষককে পদায়ন করা হয়েছে। আগামী ১২ অক্টোবরের মধ্যে তাদের যোগদান করতে হবে।
সোমবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহপরিচালক প্রফেসর নোমান উর রশিদ সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের হাতে তার দপ্তরের শিক্ষক পদায়নের নথি হস্তান্তর করেন।
এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
এতে বলা হয়, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১ হাজার ৩৭৭ জন সহকারী শিক্ষককে নবসৃষ্ট ৮২টি ডাবল শিফট সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পদায়ন করা হয়েছে।
মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নির্বাচিত ৫৬০ জন প্রার্থীর পদায়ন হবে পুলিশি ছাড়পত্রের পর। এদের পদায়নের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
নথি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সঙ্কট চলছিলো। এদের পদায়নের মধ্য দিয়ে এ সমস্যার সমাধান হলো।
নবসৃষ্ট ৮২টি ডাবল শিফট সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে ১ হাজার ৬৬৫টি পদ শূন্য রয়েছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সিঙ্গেল শিফটে ৫২০টি এবং ডাবল শিফটে ১৩০টি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে।
গত ৭ জানুয়ারি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১ হাজার ৯৬৮টি পদের বিপরীতে ১ লাখ ৩২ হাজার ২৯৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।
গত বছরের ৯ জুলাই লিখিত পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও রংপুরে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।
পরবর্তী কালে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে গত ২২ জুলাই ১ হাজার ৯৩৭ জন প্রার্থীকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়। এদের মধ্যে ৫৬০ জন মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নির্বাচিত হন।
সূত্রঃ বিডি নিউজ ২৪
Saturday, September 10, 2011
নাম পাল্টালো ঢাবির 'সমাজকল্যাণ' ইনস্টিটিউটের
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের নাম বদলে 'সমাজকর্ম ও গবেষণা ইনস্টিটিউট' করা হয়েছে।
শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের গভর্নিং বডির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।
তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "ইনস্টিটিউটের একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে গর্ভনিং বডি এ সিদ্ধান্ত নেয়। পরবর্তীতে সিন্ডিকেট এবং সিনেটে এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবিধিতে অন্তর্ভূক্ত করা হবে।"
ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, এখন থেকে এর অনার্স ডিগ্রি 'ব্যাচেলর অব সোশ্যাল সায়েন্স ইন সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার' এর পরিবর্তে 'ব্যাচেলর অব সোশ্যাল সায়েন্স ইন সোশ্যাল ওয়ার্ক' এবং মাস্টার্স ডিগ্রি 'মাস্টার্স অব সোশ্যাল সায়েন্স ইন সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার' এর পরিবর্তে 'মাস্টার্স অব সোশ্যাল সায়েন্স ইন সোশ্যাল ওয়ার্ক' হিসেবে গণ্য হবে।
তিনি বলেন, "পৃথিবীর এক হাজারেরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিষয়টি সমাজকর্ম হিসেবেই পরিচিত। এ কারণে আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা বিদেশে স্কলারশিপের জন্য আবেদন করে সমস্যায় পড়ে। তাই আমরা নাম বদলানোর এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।"
"সমাজকর্ম হচ্ছে পঠিত বিষয় আর সমাজকল্যাণ হচ্ছে এর লক্ষ্য। তাই ইনস্টিউটের নাম সমাজকল্যাণ হতে পারে না" বলেন তিনি।
সূত্রঃ বিডি নিউজ ২৪ ডটকম
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮শ' জনের চাকরিচ্যুতির সিদ্ধান্ত
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আট শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চাকরিচ্যুতির চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিন্ডিকেট।
উচ্চ আদালতের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢাকার অফিসে বিকাল সাড়ে ৫টা থেকে ৩ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলা সিন্ডিকেটের ওই সভা শেষে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. তোফায়েল আহমদ চৌধুরী একথা জানান।
২০০৩ সালের ১৭ নভেম্বর থেকে ২০০৪ সালের ৩১ অগাস্ট সময়ের মধ্যে এই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
এ বছরের গত ২৩ অগাস্ট হাইকোর্টের বিচারপতি এ এইচ এম সামছ্দ্দুীন চৌধুরী ও বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের বেঞ্চ এই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগ বেআইনি ও অবৈধ ঘোষণা করে।
এর আগে ২০০৪ সালের ৩১ অগাস্ট এই নিয়োগ অবৈধ ঘোষণার আদেশ চেয়ে হাইকোর্টে রিট (৫১২৫/২০০৪) আবেদন করেন অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া।
২০০৬ সালের ২২ অগাস্ট বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মামনুন রহমানের বেঞ্চ রিটটি খারিজ করে দেয়।
এরপর ২০১০ সালের ১৫ই ডিসেম্বর অ্যাডভোটেক আকম মোজম্মেল হক ওই রায়ের রিভিউ মামলা (৬৭/২০১০) করেন।
এ রায়ের ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের চাকুরি রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক উপ-রেজিস্ট্রার মো. নুরুল আমিন জানান, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ রায়ের আপিল না করে রিট আবেদনকারীকে সাহায়তা করে অমানবিক আচরণ করেছেন।
Subscribe to:
Posts (Atom)
